1. admin@dineralo24.com : Dineralo24 : Md Hafizul Islam
  2. hmdkamal2001@gmail.com : Md Kamal Hossain : Md Kamal Hossain
  3. ahmedsiam409@gmail.com : Siam Hossain : Siam Hossain
গায়েবী সাহায্যে লোকটির প্রাণ বাঁচল - দিনের আলো ২৪
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন

গায়েবী সাহায্যে লোকটির প্রাণ বাঁচল

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২২
  • ১৩ বার পঠিত

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে এক ব্যক্তি ব্যবসার পণ্য নিয়ে মদিনা হতে সিরিয়া এবং সিরিয়া হতে মদিনার যাতায়াত করত। সে কোন কাফেলার সঙ্গী না হয়ে বরং আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে এই সুদীর্ঘ ও দুর্গম পথ একাকী যাতায়াত করতো। একবার সে ব্যবসার পণ্য নিয়ে সিরিয়াল হতে মদিনায় আসছিল। সেই নির্জন পথে এই ডাকাত তার পথ রোধ করে দাঁড়ালো লোকটি ভয় পেয়ে ডাকাতকে বলল তুমি আমার মালামাল নিয়ে আমাকে ছেড়ে দাও। ডাকাত বলল তোমার মালামাল তো লুট করবো বটেই সেই সঙ্গে আজ আমি তোমাকে হত্যা করব!

হযরত মুহাম্মদ (স:) এর দাদা আব্দুল মুত্তালিব এর আগমন

পথিক আবারো কাতড় সরে নিবেদন করল যে আমার প্রান হনন করে তোমার কোন লাভ হবে না। আমার মালামাল নিয়ে আমাকে ছেড়ে দাও। জবাবে আবারও সে তাকে হত্যা করার সংকল্প পূর্ণ ব্যক্ত করল। পথিক এবার বলল আচ্ছা তবে আমাকে চার রাকাত নামাজ পড়ার সুযোগ দাও। এবার ডাকাত সম্মতি দিলে সে ওযু করে চার রাকাত নামাজ আদায় করেন। পথিক নামাজ শেষ করে দেখতে পেল এক সুদর্শন ব্যক্তি হাতে নুরের তলোয়ার নিয়ে একটি সাদা ঘোরার উপর আরোহন করে তার সম্মুখে দাঁড়িয়ে আছে। ডাকাত এই অপরিচিত অশ্বারোহীকে দেখামাত্র তার উপর আক্রমণ করতে উদ্যত হলো। কিন্তু তার কাছে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অশ্বারোহিতা কে একটি মামুলি আঘাত করা মাত্র সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। এবার সে পথিককে বলল এখন তুমি ডাকাতকে হত্যা করতে পারো। পথিক বলল আমি জীবনে কোন মানুষকে হত্যা করিনি এই ডাকাতকে হত্যা করাও আমার পছন্দ নয়। কিন্তু এখনো আমি তোমার পরিচয় জানতে পারেনি কে তুমি। অশ্রয়ী এবার প্রথমে ডাকাতকে হত্যা করে বলল আমি একজন ফেরেশতা। তৃতীয় আকাশে থাকি তুমি যখন প্রথম দোয়া করলে তখন আকাশের দরজায় একটি ভারি শব্দ হলো ওই শব্দটি সুনামাত্রই আমি বুঝলাম যে কোথাও কিছু ঘটেছে। অতঃপর তুমি যখন আরো দোয়া করতে লাগলে আকাশের একটি প্রবেশপথে অগ্নি ইস্ফুলিঙ্গ সরাতে লাগলো। সব শেষ হযরত জিব্রিল আল আসালাম সেখানে আগমন করে বললেন এ পথিক বিপদে পড়েছে তাকে সাহায্য করতে হবে। আমি তখন মনে মনে বললাম যেন আল্লাহ পাক আমাকেই এই কাজে নিয়োজিত করেন। ফেরেশতা অতঃপর বলল যে কেউ কোনো মসিবতের সময় তোমার এই দোয়াটি পাঠ করবে আল্লাহ পাক তাকে ঐ মুসিবত হতে হেফাজত করবেন। যাহোক পথিক ওই বিপদে মুক্ত হওয়ার পর তার ব্যবসার মালামাল নিয়ে সে নিরাপদে মদিনায় ফিরে আসলো।

বর্ণিত আছে যে কুফা নগরীতে একজন বিশ্বস্ত কুলি ছিল। স্থানীয় ব্যবসায়ীগণ অনেক সময় তার দ্বারা মালপত্র আদান-প্রদান করা তো। একদিন সে নির্জনে গাধার উপর সব হয়ে একাকী সফর করেছিল। লোকাল হয়েছে রে নির্জন এলাকায় আসার পর সে এক ব্যক্তির সাক্ষাৎ পেল। লোকটি তাকে জিজ্ঞেস করল তুমি কোথায় যাবে? সে বলল আমি অমুক শহরে যাব। লোকটি বলল আমিও সে দিকে যাব। আমি তোমাকে একদিনের দিচ্ছি বিনিময়ে আমাকে তোমার পেছনে বসিয়ে দাও। সে সম্মত হয়ে তাকে পিছনে বসিয়ে নিলেন। কিছু দূর অগ্রসর হওয়ার পর তারা একটি রাস্তায় উপনীত হলো। এ সময় লোকটি গুলিকে জিজ্ঞেস করল তুমি কোন পথে যাবে? সে সোজা পথ দেখিয়ে বলল এই পথেই সুবিধা হবে। কিন্তু লোকটি ভিন্ন পথ দেখিয়ে বলল না বরং এই পথে আমাদের গন্তব্য নিকট হবে এবং পথে ঘাস পানি পাওয়া যাবে। কুলি বললো আমি ওই পথে কখনো যায়নি। লোকটি বলল আমি বহুবার গিয়েছি। সুতরাং ভয়ের কোন কারণ নেই এই পথেই চলো। অবশেষে তারা পীড়াপীড়িতে কুলি সম্মত এই পথেই চলল। কিন্তু কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পর দেখা গেল একটি বিভীষিকাময় স্থানে এসে পথ শেষ হয়ে গেছে। তখন পুরীর গা ছম ছম করে উঠলো হঠাৎ সে একপাশে তাকিয়ে দেখতে পেল সেখানে অসংখ্য মৃত মানুষের কঙ্কাল পড়ে আছে। এই ভয়াবহ দৃশ্য দেখে ভয়ে কুলির আত্মরাত্মা কেঁপে উঠল। এবার সেই স্পষ্ট ট্যুর খোল যে সে পেশাদার ডাকাতের পাল্লায় পড়েছে। এমন সময় সত্য সত্যই লোকটি গাধাতে নেমে শরীর বের করে কুড়িকে হত্যা করতে প্রস্তুত হল। কলিকাতর সরে নিবেদন করল আমার টাকা পয়সা ও গাধা নিয়ে যাও তবুও আমাকে হত্যা করো না। লোকটি বলল আল্লাহর কসম আমি অবশ্যই তোমাকে হত্যা করব। যদি তোমার পূর্বে আমার ইন্তেকাল না হয় তবে কিছুতেই তুমি আমার হাত হতে রেহাই পাবে না। কুলি এবার বলল আমাকে অত্যন্ত দু’রাকাত নামাজ পড়ার সুযোগ দাও। লোকটি হেসে উঠে বলল কোন ছলচাতুরি তোমাকে রক্ষা করতে পারবেনা তুমি এখানে যত কঙ্কাল দেখেছো সকলেই এ সময় নামাজ পড়েছিল কিন্তু তাদের নামাজ আমার হাত হাতে তাদেরকে রক্ষা করতে পারিনি। তুমি নামাজ পড়তে চাও পড়ো কিন্তু তাতে কোন লাভ হবে না। ডাকাতের অনুমতি পাওয়ার পর কুলি ওযু করে নামাজে দাঁড়ালো। কিন্তু সুরা ফাতিহা পড় ার পর তার মুখে আর কোন সূরা যোগালো না। সে মনে মনে সূরা স্মরণ করতে লাগলো এদিকে ডাকাত তাকে তাড়াতাড়ি নামাজ শেষ করার জন্য তাগাদা দিতে লাগলো। এমন সময় হঠাৎ করে তার একটি আয়াত মনে পড়ে গেল এবং সে সেই দোয়া পড়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে লাগলেন। সে এই আয়াতটি চিৎকার করে পড়তে লাগলো এবং কাঁদতে লাগলো। এমন সময় জঙ্গলের ভেতর হতে এক অশ্বারোহী ছুটে এসে সেখানে উপস্থিত হল। তার হাতে ছিল একটি বর্ষা এবং মাথায় শিরশান। চোখের পলকে সে ডাকাতের বক্ষে সেই বর্ষা বিদ্ধ করে দিল সঙ্গে সঙ্গে তার দেহটি মাটিতে লুটিয়ে পরল। ডাকাতের দেহটি মাটিতে পতিত হওয়ার পর সে স্থান হতে ভয়াবহ আগুনের স্ফুলিঙ্গ দাউদাউ করে বের হতে লাগলো। এই দৃশ্য দেখে সেই কুলি সিজদায় পড়ে আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতার অশ্রু ঝরাতে লাগলো।

MD Siam Hossain

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

About Us

Stay with us by subscribing to our website to be the first to receive all the trusted news from around the world. https://dineralo24.com/

© All rights reserved © 2019 Dineralo24
Theme Customized By Theme Park BD