1. admin@dineralo24.com : Dineralo24 : Md Hafizul Islam
  2. hmdkamal2001@gmail.com : Md Kamal Hossain : Md Kamal Hossain
  3. ahmedsiam409@gmail.com : Siam Hossain : Siam Hossain
বিবাহের জন্য দ্বীনদার মেয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ - দিনের আলো ২৪
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন

বিবাহের জন্য দ্বীনদার মেয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২২
  • ১৩ বার পঠিত

২৫ বছর বয়সের এক যুবক। পূর্ণিমার চাঁদের মতোই ফুটফুটে তার চেহারা। দূর থেকে দেখলে সদ্য ফোটা গোলাপের মতোই মনে হয়। তার মসৃণ চুল কাজল কালো চোখ আর মানানসই দেহবায় ক ছোট বড় সকলেরই নজর কাড়ে। বিশেষ করে সদ্য গজিয়ে ওঠা সশ্রুগুলো যেন তার পুরুষত্ব কে শতগুনে বাড়িয়ে তুলেছে।

যুবকের নাম শরিফুল ইসলাম। সমবয়সী বন্ধু-বান্ধবরা তাকে শরীফ বলেই ডাকে। অবশ্য ইদানিং তার নামের পূর্বে মাওলানা শব্দটি জুড়ে দিয়ে তাকে মাওলানা শরিফ বলেই সম্বোধন করে। কেননা আজ বছরখানেক হলো একটি নামকরা মাদ্রাসা থেকে অত্যন্ত সুনামের সাথে তিনি দাওরা হাদিস পাস করে বের হয়েছেন।

ছাত্রজীবনে তিনি প্রতিটি পরীক্ষায় মেধার উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছেন। জীবনে ফেল করা তো দূরের কথা কোন পরীক্ষায় তিনি দ্বিতীয় স্থান ও অধিকার করেননি। তার চলন বলন আচার-আচরণ হাঁস রসিকতা সহ সকল কাজেই ভদ্রতার সুস্পষ্ট ছাপ বিদ্যমান ছিল। অতি সহজেই তিনি সকলের সাথে মিশে যেতে পারতেন। তার নম্র ও কোমল ব্যবহারে সকলেই সন্তুষ্ট ছিল। তাকওয়া পরহেজগারিতেও তিনি ছিলেন অতুলনীয়। বালেগ হওয়ার পর থেকে কোনদিন তিনি ইচ্ছে করে নামাজ কাজা করেননি। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজী তিনি মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে আদায় করেন। শুধু তাই নয় তাহাজ্জুদ ইশরাক ও আওয়াবীন নামাজ ও তার ছুটে না। প্রতিদিন সকালে কুরআন পাক তেলাওয়াত করেন তার কোকিল কন্ঠের তেলাওয়াত সকলেই মুগ্ধ করে।

আইটি সেক্টরকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে হাফিজুল ইসলাম

মাওলানা শরীফ যখন দশ বছরের বালক তখনই তার স্নেহময়ী মাতা দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। আজ পাঁচ বছর যাবত পিতৃ স্নেহ থেকেও তিনি বঞ্চিত। কেননা গাড়ি দুর্ঘটনায় তার পিতা ইহজগত ত্যাগ করে পরকালে পারি জমিয়েছেন। বর্তমানে ছোট দুই ভাই ও এক বোন নিয়েই তাদের সংসার। তিনি পৈত্রিক সূত্রেই অগাধ ধন সম্পদের মালিক হয়েছেন। এত বিশাল সম্পত্তির মালিক হয়েও তার মধ্যে কোন অহংকার নেই। তার ওবারিত দানে এলাকার লোকজন তো বটেই বহুদূরান্তের গরীব-দুখীরাও উপকৃত হয়।

মাওলানা শরিফের এক অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিল। নিজ এলাকায় সে রায়হান নামেই পরিচিত। ছোটবেলা থেকেই তাদের এ বন্ধুত্ব ছোটবেলায় পড়াশোনা হয়েছে একসাথে। বর্তমানে তিনি বিএ ফাইনাল পরীক্ষার্থী। মাওলানার পিতা ইন্তেকালের পর তাদের বন্ধুত্ব আরো জোরদার হয়েছে। আজ কয়েক মাস যাবত মাওলানা শরিফের বিয়ে সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা চলছে। বন্ধু রায়হানে এ ব্যাপারে বেশি তৎপর। বন্ধুকে একটি মনমত স্ত্রী জুড়ে দেয়ার জন্য সে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে। পরিচিত জনের সাথে আলাপ আলোচনা করেছে। কিন্তু মাওলানা শরীফের জন্য মনের মত মেয়ে সে খুঁজে পাচ্ছে না। একদিন পছন্দ হলেও তো তিনদিক পছন্দ হয় না এভাবে আরও কয়েক মাস কেটে গেল। রায়হানের ইচ্ছে হল বন্ধুকে সে একজন সুন্দরী রূপসী মেয়ে এনে দেবে। এজন্য সে যেকোনো কুরবানী দিতে প্রস্তুত। কোথাও কোন সুন্দরী মেয়ের খোঁজ পেলেই সে তৎক্ষণাৎ সেখানে ছুটে যায়। আশেপাশের লোকজনকে জিজ্ঞেস করে মেয়ে ও মেয়ের পরিবার-পরিজন সম্পর্কে খোঁজখবর নেয়। এভাবে খুঁজতে খুঁজতে একদিন রায়হান শব্দ দিয়ে মানানসই একটি সুন্দরী মেয়ের খোঁজ পেয়ে যায়। অতঃপর বিভিন্ন দিকে খোঁজখবর নিলে তার ধারণা জন্মায় যে এ মেয়েটি মাওলানা জন্য উপযুক্ত হবে। এই হবে মাওলানা কাঙ্খিত স্ত্রী।

উপযুক্ত মেয়ে পেয়ে রায়হান খুশিতে বাগ বাগ হয়ে বন্ধু শরীফের সাথে সাক্ষাৎ করে। বলে মাওলানা তোমার জন্য একটি সুন্দরী মেয়ে পেয়েছি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি তার মত সুন্দরী এই এলাকায় আর একটিও নেই। লোকজন বলেছে সে নাকি পরীর মত সুন্দরী তার পটল চেরা আঁখি উন্নত নাসিকা লম্বা কেস দাম আর হৃদপুস্ট দেহ সব মিলিয়ে সে এক অনিন্দ্য সুন্দরী রূপসী মেয়ে। এমন মেয়ের সাথে তোমাকেই মানাবে ভালো। বন্ধুর কথা শুনে মাওলানা মনে মনে খুশি হলেন। মুখে বললেন বন্ধু সুন্দরের বর্ণনা তো খুব দিলে। কিন্তু মেয়ে দ্বীনদার কিনা তা তো কিছুই বললে না। যেভাবে রায়হান বলল দ্বীনদারি সম্পর্কে আমি ততটা খোঁজ নেইনি। তবে যতটা শুনতে পেরেছি তাতে মনে হয় দ্বীনদারির দিক দিয়েও মেয়েটি খারাপ হবে না। তাদের পরিবারের সবাই জেনারেল শিক্ষিত হলেও নামাজ রোজা সকলেই করে। যাহোক দ্বীনদারীর দিকটা তুমি না হয় যে কোন উপায়ে জেনে নিবে আমি তো সুন্দরী মিলিয়ে দিয়েছি।। মাওলানা বললেন রায়হান দ্বীনদারীর দিকটি খাটো করে দেখার কোন অবকাশ নেই। কেননা মেয়ে যত সুন্দরী হোক যদি তার মধ্যে তাকওয়া পরহেজগারী না থাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নতকে যদি সে ভালো না বাসে খোদার প্রকৃত ভয় যদি তার অন্তরে বিদ্যমান না থাকে তাহলে আর যাই হোক তাদের দাম্পত্য জীবনে যে শান্তি আসবে না তা নিশ্চিত করেই বলা যায়।

রায়হান! তুমি তো নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদিস অধ্যায়ন করেছে। তিনি বলেছেন পুরুষগণ মেয়েদের চারটি দিক দেখে বিবাহ করে ।(১) রুপ লাবণ্য (২) বংশ কুল (৩) সহায় সম্পত্তি (৪) দ্বীনদার। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিন্তু দ্বীনদার কি প্রাধান্য দিয়েছেন। তিনি এক সাহাবীকে লক্ষ্য করে বলেছেন হে সাহাবী তুমি কিন্তু দ্বীনদারীর দিক থেকেই প্রধান্য দিও এতেই তুমি কামিয়াব হবে। দাম্পত্য জীবনে তুমি সুখী হতে পারবে।

MD Siam Hossain

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

About Us

Stay with us by subscribing to our website to be the first to receive all the trusted news from around the world. https://dineralo24.com/

© All rights reserved © 2019 Dineralo24
Theme Customized By Theme Park BD