1. admin@dineralo24.com : Dineralo24 : Md Hafizul Islam
  2. hmdkamal2001@gmail.com : Md Kamal Hossain : Md Kamal Hossain
  3. ahmedsiam409@gmail.com : Siam Hossain : Siam Hossain
জ্ঞান এর কোন শেষ নেই - দিনের আলো ২৪
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন

জ্ঞান এর কোন শেষ নেই

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২২
  • ১৩ বার পঠিত

হযরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু থেকে বর্ণিত যে হযরত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন একবার হযরত মূসা আলাইহিস সাল্লাম বনি ইসরাইলের এক সমাবেশে ভাষণ দিলে তাকে জিজ্ঞেস করা হয় পৃথিবীতে কে সবচেয়ে জ্ঞানী ?

মুসা আঃ জবাব দিলেন আমি। তার এ জবাবে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন। কেননা আল্লাহই যে তার জ্ঞানের উৎস সে কথা তিনি উল্লেখ করেননি। আল্লাহ তাকে বললেন দুই নদীর সংযোগস্থলে আমার এক বান্দা আছে। সে তোমার চেয়েও বেশি জ্ঞানী। মুসা আঃ বললেন আমি তার নিকট কিভাবে পৌঁছাব। আল্লাহ বলেন তুমি একটি ভাজা মাছ নিয়ে রওনা হও। যেখানে মাছটি হারিয়ে যাবে সেখানেই তার সাক্ষাৎ পাবে। মুসা আলাই সাল্লাম স্বীয় খাদেম নবী ইউশা ইবনে নুনকে সাথে নিয়ে ভাজা মাছ সহ চলতে লাগলেন চলতে চলতে তারা সাগর পাড়ের একটি পাথরের কাছে পৌঁছে বিশ্রাম করতে লাগলেন। মুসা আলাই সালাম সেখানে ঘুমিয়ে পড়লেন। সেই অবসরের মাসটির জীবিত হয়ে সাগর নেমে গেল। খাদেম ব্যাপারটি জানালেও মুসাকে তা বলতে ভুলে গেল। অতঃপর বিশ্রাম শেষে আবার উভয়ের পথ চলতে লাগলেন। কিছুদূর গিয়ে উভয় ক্ষুধার্ত হলেন। হযরত মুসা আঃ বলেন খাবার আন। তখন খাদেম বলল শয়তানের প্ররোচনায় পরে কথাটি আমি আপনাকে বলতে ভুলে গেছিলাম। খাদ্য হিসেবে যে ভাজা মাছটি ছিল তাই ইতিপূর্বে আমরা যেখানে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম সেখানে উভয় জ্যান্ত হয় সমুদ্রে চলে গেছে। মুসা আলাই সালাম বললেন ওই জায়গাটায় তো আমি খুজেছি। এই বলে তারা আবার সেখানে চলে যায়।

আইটি সেক্টরকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে হাফিজুল ইসলাম

সেখানে পৌঁছে দেখলেন এক ব্যক্তি বসে আছে। মুসা আঃ তাকে সালাম করলেন। ওই ব্যক্তি সালামের জবাব দিয়ে বললেন এদেশে তো সালামের রীতি নেই। মুসা আলাই সালাম বললেন আমি মুসা। লোকটি বললো বনী ইসরাঈলের নবী মুস? তিনি বললেন হ্যাঁ। আপনি আল্লাহর কাছ থেকে যে সব নিগুর তত্ত্ব শিখেছেন তার কিছু কিছু শেখার জন্য আমি এসেছি। আমি কি আপনার সাথে থাকতে পারি। তিনি বললেন হে মুসা আমি খিজির। আমাকে আল্লাহ এমন কিছু জ্ঞান দান করেছেন যা তোমাকে দেননি। আবার তোমাকে এমন কিছু জ্ঞান দান করেছেন যা আমাকে দেননি। এখন আমার সাথে থেকে তুমি ধৈর্য ধারণ করতে পারবে না। কারণ যার রহস্য তুমি জানো না সে সব ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করা সম্ভব নয়। মুসা আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন ইনশাআল্লাহ! আমি ধৈর্য ধারণ করব এবং অনুগত থাকবো। খিজির আলাইহিস সালাম বললেন ঠিক আছে। তুমি যদি থাকতে চাও তাহলে আমি নিজে যতক্ষণ কোন জিনিসের ব্যাখ্যা না দেব ততক্ষণ তুমি কোন ব্যাপারে প্রশ্ন করতে পারবে না। অতঃপর তারা রওয়ানা দিলেন এবং সাগরের তীর ধরে চলতে লাগলেন। একটি নৌকায় তারা সাগর পার হলেন। নৌকার মাঝি খিজরী কে চিনত বলে তাদের ভাড়াও নিল না। অথচ কিনারে গিয়ে ভিড়ামাত্রই খিজির একখানা কুরাল দিয়ে নৌকাটিকে বিরাট ছিদ্র করলেন। মূসা আলাইহিস সালাম তৎক্ষণাৎ বলে উঠলেন একি করলেন আপনি? বিনা ভাড়ায় নৌকায় পার হয়ে এমন কান্ডটি ঘটালেন যাতে যাত্রীরা ডুবে মরে? খিজির আলাইহিস সালাম বলেন আমি তো বলেছিলাম তুমি ধৈর্য ধারণ করতে পারবে না মুসা আঃ বললেন আমার ভুল হয়ে গেছে। এবারের জন্য আমাকে মাফ করে দিন ।

তারা আবার চলতে লাগলেন। পথিমধ্যে এক জায়গায় দেখলেন কয়েকটি বালোক খেলা করছে। খিজির আলাইহিস সালাম হঠাৎ একটি বালককে জাপটে ধরলেন এবং ছুরি বের করে তাকে জবাই করে ফেললেন। মুসা আলাই সাল্লাম এবারও আত্মসরণ করতে পারলেন না তীব্র প্রতিবাদ করে বললেন সম্পূর্ণ বিনা অপরাধে এই বালককে হত্যা করে আপনি একটি জঘন্য অপরাধ করেছেন। খিজির আঃ এবার আগের মত বললেন আমি তো জানতাম তোমার এসব সহ্য হবে না। মুসা আলাইহিস সাল্লাম বললেন আচ্ছা বেশ আর যদি কখনো কিছু বলি আমাকে বিদায় করে দেবেন। খিজির আলাইহিস সাল্লাম এবারও মাফ করে দিয়ে পুনরায় পথ চলতে লাগলেন। চলতে চলতে তারা এক গ্রামে হাজির হলেন এবং গ্রামবাসীর কাছে খাবার চাইলেন। কিন্তু তারা খাবার দিলো না। অগত্যা গ্রামটি ত্যাগ করে চললেন। গ্রামের এক প্রান্তে একটি পুরনো প্রাচীর দেখলেন যা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। খিজির সেই প্রাচীর টি মেরামত করে দিলেন। মুসা আঃ সালাম এতে ঘর তার আপত্তি জানিয়ে বললেন যে গ্রামবাসী আমাদের মেহমানদারী করলো না আপনি বিনা মজুরিতে প্রাচীর মেরামত করে দিলেন। ইচ্ছে করলে আপনি অত্যন্ত মজুরি আদায় করতে পারতেন। এবার খিজির আলাই সালাম বললেন আমি আর তোমাকে নিয়ে চলতে পারলাম না। তুমি এক্ষুনি বিদায় হও। তবে যাবার আগে আমার যেসব কর্মকাণ্ডে রহস্য বুঝতে না পেরে তুমি ধৈর্য হারিয়ে ফেলেছিলে তার তাৎপর্য শুনে নাও নৌকাটি ছিদ্র করলাম এজন্য যে ওই এলাকায় অত্যাচারী রাজা ছিল যে কোন নিখুঁত নৌকা পেলেই তাকে কেড়ে নিতো। আমি নৌকায় খুদ করে দিলাম যাতে তারা দরিদ্র চালকরা তাকে কিঞ্চিত মেরামত করে তা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করতে পারে এবং রাজা কেড়ে নিতে না পারে। আর বালকটিকে হত্যা করলাম এজন্য যে সে বড় হয়ে কাফের হতো এবং তার মুমিন পিতা-মাতাকে কষ্ট দিত। আর প্রাচীর মেরামত করার কারণ এই যে ওর নিচে দুজন পিতৃহীন শিশুর সম্পদ প্রোথিত ছিল এবং তাদের বড় হওয়া পর্যন্ত ওই সম্পদ রক্ষিত থাকা দরকার।আর মনে রেখো এসব কর্মকাণ্ড আমি নিজের ইচ্ছায় করেনি। বরং আল্লাহর ইচ্ছা অনুসারে করেছি।

MD Siam Hossain

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

About Us

Stay with us by subscribing to our website to be the first to receive all the trusted news from around the world. https://dineralo24.com/

© All rights reserved © 2019 Dineralo24
Theme Customized By Theme Park BD