1. admin@dineralo24.com : Dineralo24 : Md Hafizul Islam
  2. hmdkamal2001@gmail.com : Md Kamal Hossain : Md Kamal Hossain
  3. ahmedsiam409@gmail.com : Siam Hossain : Siam Hossain
বার্সোলোনা টাকা ছাড়া কিভাবে খেলোয়াড় কিনে - দিনের আলো ২৪
মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন

বার্সোলোনা টাকা ছাড়া কিভাবে খেলোয়াড় কিনে

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২
  • ৫৯ বার পঠিত
বার্সোলোনা টাকা ছাড়া কিভাবে
বার্সোলোনা টাকা ছাড়া কিভাবে খেলোয়াড় কিনে

দলছুট হয়েছেন আক্রমণভাগের প্রাণভোমরা রবের্ত লেভানদোভস্কি। বায়ার্ন মিউনিখ ছেড়ে যোগ দিয়েছেন বার্সেলোনায়। জার্মান ক্লাবটির কোচ ইউলিয়ান নাগেলসমান তাতে যেন বেশ ক্ষুব্ধ। ঋণের ভারে জর্জরিত বার্সেলোনা কিভাবে ট্রান্সফারের মোটা অঙ্কের হিসাব মেলালো, বিষয়টি তার কাছে অদ্ভূতুড়ে ঠেকছে।

প্রায় দুই মাস ধরে চলা গুঞ্জন সত্যি করে সাড়ে চার কোটি ইউরোয় পোলিশ তারকাকে দলে টেনেছে বার্সেলোনা। পরে অঙ্কটা দাঁড়াতে পারে পাঁচ কোটি ইউরোয়।

শুরুতে যদিও অনেকেরই ধারণা ছিল, বার্সেলোনার পক্ষে এই চুক্তি করা সম্ভব হবে না। কেননা, ক্লাবটি ১০০ কোটি পাউন্ডেরও বেশি ঋণের ভারে জর্জরিত। তারপরও তারা হিসাবটা মিলিয়ে নিয়েছে।

শুধু লেভানদোভস্কিই নয়, লিডস ইউনাইটেড থেকে ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার রাফিনিয়াকেও দলে টেনেছে তারা। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এজন্য তাদের আপাতত খরচ ৫ কোটি ৮০ লাখ ইউরো। চুক্তি অনুযায়ী আরও কিছু যোগ হলে খরচের অঙ্ক ছুঁতে পারে ৬ কোটি ৮০ লাখ ইউরো।

নাগেলসমানের প্রশ্নটা এখানেই। এত আর্থিক দুর্দশার মধ্যে থাকার পরও কিভাবে বার্সেলোনা দলবদলের বাজারে এত ট্রান্সফার ফি খরচ করে খেলোয়াড় কিনতে পারল।

বার্সোলনার নতুন নাম্বার নাইন রবার্ট লেভান্ডভস্কি

“বিশ্বে এটাই একমাত্র ক্লাব, যাদের কোনো অর্থ নেই। তারপরও যে খেলোয়াড়কে তারা চায়, তাদের সবাইকে কিনে নেয়। আমি জানি না, কিভাবে তারা এ কাজটি করে। এটা একটু অদ্ভূত, একটু পাগলাটে

এই গ্রীষ্মের শুরুতে বার্সেলোনার আর্থিক সমস্যা এতটা প্রকট ছিল যে, তারা এসি মিলান থেকে ফঁক কেসিয়ে ও চেলসি থেকে আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেনকে দলে টানলেও তাদের রেজিস্ট্রেশন করতে পারছিল না।

গত মে মাসে লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাস বেশ জোর দিয়ে বলেছিলেন, বার্সেলোনা খুব করে লেভানদোভস্কিকে দলে টানতে চাইলে তাদেরকে দলে থাকা এক বা একাধিক খেলোয়াড়কে বিক্রি করে অর্থের যোগান দিতে হবে।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনেও বিষয়টি এভাবেই দেখানো হয়েছে। যেমন বলা হয়েছে, লা লিগার নিয়ম মেনে চললে এই মুহূর্তে খেলোয়াড় বিক্রি থেকে বার্সেলোনা প্রায় ৪৬ লাখ ইউরো আয় করলে তখন কেবল ১১ লাখ ইউরোর মতো ব্যয় করতে পারবে।

এ কারণে আলোচনা হচ্ছিল, এবার যদি বার্সেলোনাকে কোনো খেলোয়াড় কিনতে হয়, তাহলে দলটির প্রয়োজন পড়বে খেলোয়াড় বিক্রির। এজন্য ফ্রেংকি ডি ইয়ং ও উসমান দেম্বেলের ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জন ছিল ধারাবাহিকভাবে। পরে অবশ্য দেম্বেলের সঙ্গে নতুন চুক্তি করেছে কাতালান দলটি।

ডি ইয়ংকে কিনতে আগ্রহী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দলটি বেশ কয়েকবার চেষ্টাও করেছে তাকে দলে টানতে। যদিও ডি ইয়ং কাম্প নউয়ে থেকে যেতে আগ্রহী।

দুই ক্লাবের মঙ্গলবার দেওয়া বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। লেভানদোভস্কিকে দলে পেতে চার কোটি ৫০ লাখ ইউরো খরচ হয়েছে বার্সেলোনার। বিভিন্ন বোনাসসহ অঙ্কটা হতে পারে পাঁচ কোটি ইউরো।

খেলোয়ড়ের সঙ্গে ক্লাবের চুক্তির প্রক্রিয়াটা অবশ্য এখনও বাকি। চার বছরের চুক্তি করবেন লেভানদোভস্কি। এখানে তার রিলিজ ক্লজ হবে ৫০ কোটি ইউরো।

এরই মধ্যে বার্সেলোনা দলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-মৌসুম সফরে যোগ দিয়েছেন ৩৩ বছর বয়সী লেভানদোভস্কি। সেখানেই তার মেডিকেল সম্পন্ন হয়েছে।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের খবর, মায়ামিতে স্থানীয় সময় বুধবার দুপুরে লেভানদোভস্কিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের খেলোয়াড় হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেবে বার্সেলোনা।

বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ২০১৪ সালে লেভানদোভস্কি বায়ার্নে যোগ দিয়ে ক্লাবটির হয়ে জেতেন সব ধরনের শিরোপা। ৩৭৫ ম্যাচে গোল করেন ৩৪৪টি।

সাফল্যে মোড়ানো ক্লাব ক্যারিয়ারে বায়ার্নের হয়ে ৮টি বুন্ডেসলিগা, ৩টি জার্মান কাপ, ৪টি জার্মান সুপার কাপ এবং ১টি করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, উয়েফা সুপার কাপ ও ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জিতেছেন তিনি।

শাভির সঙ্গে কথা বলে লেভানদোভস্কির মনে দৃঢ় বিশ্বাস জন্মেছে, বার্সেলোনাকে আবার সেরাদের কাতারে নিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য রয়েছে সাবেক এই তারকা মিডফিল্ডারের।

ব্যক্তিগতভাবে বায়ার্ন মিউনিখে পার করছিলেন সেরা সময়। দলগত সাফল্যও মিলছিল বেশ। কিন্তু ক্লাবটির বোর্ডের সঙ্গে ‘বনিবনা না হওয়ায়’ এবং নতুন চ্যালেঞ্জের আশায় দলবদলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন লেভানদোভস্কি। বিষয়টি ঘিরে মাস দুয়েকের নাটকীয়তার পর এখন কাম্প নউয়ে তিনি। তার সঙ্গে চুক্তির বিস্তারিত অবশ্য জানা যায়নি এখনও।

গত সোমবার বার্সেলোনার ওয়েবসাইটে এক আলাপচারিতায় লেভানদোভস্কি বলেন, তার বিজয়ী মানসিকতার সঙ্গে শাভির মিল রয়েছে এবং তার ক্লাবে যোগ দেওয়ায় এটি বড় প্রভাবক ছিল।

“আমি শাভির সঙ্গে কথা বলেছিলাম এবং তার ভাবনা ও খেলার ধরন সম্পর্কে শুরু থেকেই আমার ধারণা ছিল। বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া আমার জন্য সহজ ছিল, কারণ আমি খেলতে চাই, জিততে চাই। আর আমার মতে, শাভির কোচিংয়ে সেটা খুব ভালোভাবে সম্ভব।

তিনি জানেন কিভাবে বার্সেলোনাকে কোচিং করাতে হয়, কারণ খেলোয়াড় হিসেবে তিনি অসাধারণ ছিলেন এবং এখন কোচ হিসেবেও খুব ভালো। তার ভবিষ্যত চমৎকার এবং আমি এর অংশ হতে চাই।”

গত বছরের নভেম্বরে বার্সেলোনার ডাগআউটে রোনাল্ড কুমানের স্থলাভিষিক্ত হন শাভি। ওই সময়ে লা লিগায় পয়েন্ট টেবিলের নবম স্থানে ছিল বার্সেলোনা। সেখান থেকে স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডারের কোচিংয়ে লিগে রানার্সআপ হয় দলটি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পর ইউরোপা লিগের সেমি-ফাইনালে উঠেছিল তারা।

নতুন মৌসুমে বড় লক্ষ্য অর্জনের পথচলায় শাভির বড় অস্ত্র হতে যাচ্ছেন লেভানদোভস্কি। কেননা গত কয়েক মৌসুম ধরেই রীতিমতো গোলমেশিনে পরিণত হয়েছেন তিনি। বায়ার্নের হয়ে ৩৭৫ ম্যাচে ৩৪৪টি গোল তারই সাক্ষ্য দেয়।

জার্মানির সফলতম দলটির হয়ে ৮টি বুন্ডেসলিগা, ৩টি জার্মান কাপ, ৪টি জার্মান সুপার কাপ এবং ১টি করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, উয়েফা সুপার কাপ ও ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জিতেছেন তিনি।

এতসব সাফল্যের পরও ৩৩ বছর বয়সী এই ফুটবলারের সঙ্গে বায়ার্নের শেষটা মধুর হয়নি। গত মে মাসে সাবেক বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ফরোয়ার্ড জানিয়ে দেন, তিনি ক্লাব ছাড়তে চান। তবে ক্লাবটির পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছিল, ২০২৩ সালে চুক্তির মেয়াদ শেষের আগে ছাড়া হবে না লেভানদোভস্কিকে।

অনেক টানাপোড়েনের পর অবশেষে তাকে ছাড়তে রাজি হয় বায়ার্ন। কঠিন সেই সময়টা শেষ হওয়ায় স্বস্তি বোধ করছেন লেভানদোভস্কি। এবার বার্সেলোনায় নতুন চ্যালেঞ্জের দিকে মনোযোগ দিতে চান তিনি।

“অবশেষে আমি এখানে (বার্সেলোনায়), বার্সেলোনা দলের সঙ্গে এখানে (যুক্তরাষ্ট্রে) যোগ দিতে পেরে খুব খুশি। গত কয়েকটা দিন কঠিন ছিল, তবে শেষ পর্যন্ত চুক্তিটি হয়ে গেছে।”

“এখন আমি আমার জীবনের নতুন অধ্যায়, একটি নতুন চ্যালেঞ্জের দিকে মনোনিবেশ করতে পারি।

বার্সোলোনা ক্লাব কোন এক সময় খুব ভালো অবস্থায় ছিল। তারা হটাৎ যেন তাদের নিজেদেরকে হারিয়ে খুজছেন।স্পেনে রিয়ালের সাথে তারা টক্কর দিয়ে খেলা চালিয়ে গিয়েছিল। যখন তারা তাদের নিজেদের সবচেয়ে বড়ো খেলোয়াড় লিওনেল মেসিকে হারায়৷ ঠিক তখন থেকেই যেন তারা ঠিক তাদের খেলা খেলতে পারছেন না। গেলো মৌসুমে তারা একটি শিরোপা ও জিততে পারে নি।এই রকম সংকট কাটিয়ে উঠতে তারা বেশ কয়েকটি খেলোয়াড় তাদের দলে ভিড়িয়েছে তাদের জন্য খরচ করতে হবে বেশ কিছু টাকা।

MD Siam Hossain

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

About Us

Stay with us by subscribing to our website to be the first to receive all the trusted news from around the world. https://dineralo24.com/

© All rights reserved © 2019 Dineralo24
Theme Customized By Theme Park BD