1. admin@dineralo24.com : Dineralo24 : Md Hafizul Islam
  2. hmdkamal2001@gmail.com : Md Kamal Hossain : Md Kamal Hossain
  3. ahmedsiam409@gmail.com : Siam Hossain : Siam Hossain
সূরা ইয়াসিনের ফজিলত বর্ণনা করা হলো - দিনের আলো ২৪
মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ১১:১১ পূর্বাহ্ন

সূরা ইয়াসিনের ফজিলত বর্ণনা করা হলো

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০২২
  • ৬০ বার পঠিত
সূরা ইয়াসিনের ফজিলত
সূরা ইয়াসিনের ফজিলত

সূরা ইয়াসিনের ফজিলত বর্ণনা করা হলো

হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন সূরা ইয়াসিনের আমল এবং ব্যবহার করো কেন না এতে রহিয়াছে দশটি নিয়ামত।

1.এই সূরা পাঠ করলে ক্ষুধা দূরীভূত হয়

2.সূরা পাঠ করিলে পিপাসা দূর হয়

3.যাহার পরিধেয় বস্ত্র নেই তাহার বছরের ব্যবস্থা হয়

4.বিবাহ বিলম্ব হয় তাহার বিবাহের ব্যবস্থা হয়

5.এবং বিপদগ্রস্থ এবং বিপদ হতে রক্ষা পাবে

6.কোন ব্যক্তি কারা করে আটকা পড়লে অতি শীঘ্রই মুক্তি পাবে

7.মুসাফির ব্যক্তি পাঠ করলে সব মিলিয়ে যায়

8.কোন কিছু হারিয়ে গেলে ওই জিনিস ফিরে পাওয়া যায়

9.মুমূর্ষ লোকের পাশে পাঠ করলে উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু কষ্ট লাঘব হয় এটি পাঠ করলে উক্ত ব্যক্তি আরোগ্যলাভ হয়

সূরা ইয়াসিনের ফজিলত

মক্কাবাসীরা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উপহাস করে বলতো ইয়াতিম ও নিরক্ষর হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম কি করে নবুয়াত দাবি করতে পারে অবিশ্বাসীদের এই প্রশ্নের উত্তরে মহান আল্লাহ তায়াল এই সূরা নাযিল করেন।

মহান আল্লাহ তায়ালা সূরা ইয়াসিনের মাধ্যমে নবুওয়াতের সত্যতার প্রমাণ করেছেন।

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা ইয়াসিন কে কালাবুল কোরআন অর্থাৎ কোরআনের হৃদয় বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

সুরা ইয়াসিন এ আল্লাহ তাআলা তাওহীদ ও অদ্বিতীয় শক্তি মহিমা কোরআনের পবিত্রতা ও গৌরব নবী করীম সাল্লাল্লাহু সাল্লাম নবুওয়াত ও গুরুত্বপূর্ণ সালাদ ও ইসলামের সত্যতা কেয়ামতের দিন পুনরুত্থান ও পরকালের বিষয় উল্লেখ কোথায় এই সূরায় গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্যপূর্ণ।

তিরমিজি শরীফের উল্লেখ রয়েছে সূরা ইয়াসীন একবার পাঠ করলে দশবার কোরআন খতম করার নেকী হয় এবং পাঠকের সব গুনাহ মাফ হয়।

হাদীসে আরো বলা হয়েছে রাতে সূরা ইয়াসিন পাঠ করলে নিসপ অবস্থায় ঘুম থেকে উঠা যায় এবং পূর্বের গুনাহ মাফ হয়ে যায়।

যে ব্যক্তি সূরা ইয়াসীন বেশি বেশি পড়ে থাকে কেয়ামতের দিন এই সূরায় তার জন্য আল্লাহর দরবারে সুপারিশ করবে।

নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম আরো বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খোলা থাকবে।

বুযুর্গানে ওলামায়ে কেরামগণ বর্ণনা করেছেন বিপদ আপদ ও রোগব্যাধি সময় এই সূরা পাঠ করলে সম্পূর্ণ মুক্তি লাভ হয় মূর্খ ব্যক্তির কাছে সূরা পড়লে মৃত্যু যন্ত্রণা এবং কবরের কাছে সূরা ইয়াসীন পড়লে কবরের আজাব থেমে যায় সূরা ইয়াসিনের আরো অনেক ফজিলত ও বরকত রয়েছে আল্লাহ আমাদের তাওফীক দান করুন যাতে করে আমরা সুরা ইয়াসিনের সার্বিক বরকত ও ফজিলত এর ধন্য হতে পারে, আমিন।

হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন প্রতিটি জিনিসের একটি হৃদয় আছে এবং কোরআনের হৃদয় হচ্ছে সূরা ইয়াসিন সূরা ইয়াসিন পাঠ করে আল্লাহ তা’আল তার বিনিময়ে তাকে দশবার পূর্ণ কুরআন পাঠ করার সব দান করেন।

হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি রাতের বেলা সূরা ইয়াসিন পাঠ করে সে ক্ষমাপ্রাপ্ত অবস্থায় সকালে ঘুম থেকে উঠে আর যে ব্যক্তি সূরা হা-মীম পাঠ করে যার মধ্যে ধোয়ার কনা উল্লেখ আছে।

হযরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমি আশা করি আমার উম্মতের প্রতিটি ব্যক্তির হৃদয়ে এই সূরাটি গাঁথা থাকবে।

হাফেজ ইমাম উদ্দিন আবুল ফিদা ইসমাইল ইবনে কাসীর দামেস্কে বলেন এসব হাদিসের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞ আলেমগণ বলেছেন কঠিন বিপদ সামনে উপস্থিত হলে তখনই সূরা পাঠ করার বরকত আল্লাহ তা’আলা বিপদ বা কাজকে সহজ করে দেন ব্যক্তির নিকট সূরা পাঠ করতে বলার অর্থ হচ্ছে এই যে এই সময় আল্লাহ তাআলার রহমত নাযিল করেন এবং সহজভাবে রুহ বের করে নেওয়া হয় আসল ব্যাপার আল্লাহই ভালো জানেন ইমাম আহমাদ বলেছেন আমাদের প্রবীণরা বলতেন ব্যক্তির নিকট সূরা ইয়াসিন পাঠ করা হলে আল্লাহ তার কষ্ট লাঘব করে দেন তাফসীরে ইবনে কাসীর।

ইমাম গাজ্জালী রহমতুল্লাহি আলাইহি প্রসঙ্গে বলেন সূরা ইয়াসিন কোরআনের হৃদয় এ কারণে বলা হয়েছে যে এ সূরার কেয়ামত ও হাশর নাশর বিষয়ে বিশদ ব্যাখ্যা অলংকার সহকারে বর্ণিত হয়েছে পরকালে বিশ্বাস ঈমানের এমন একটি মূলনীতি যার উপর মানুষের আচরণের বিশুদ্ধতা নির্ভরশীল প্রভৃতি মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে এবং অবৈধ বাসনা ও হারাম কাজ থেকে বিরত রাখে তাই দেহের সুস্থতা যেমন তার উপর নির্ভরশীলতা পরকালের চিন্তা উপর নির্ভরশীল।

মিউজিক শরীফে উল্লেখ রয়েছে সূরা ইয়াসীন একবার পাঠ করলে দশবার কোরআন খতম করার নাকি হয় এবং পাঠকের সব গুনাহ মাফ হয় হাদিস আরো বলা হয়েছে রাতে সূরা ইয়াসিন পাঠ করলে নিষ্পাপ অবস্থায় ঘুম থেকে ওঠা যায় এবং পূর্বের গুনাহ মাফ হয়ে যায় যে ব্যক্তি সূরা ইয়াসীন বেশি বেশি পড়ে থাকে তার জন্য আল্লাহর দরবারে সুপারিশ করবে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খোলা থাকবে হযরত আবু যর আল্লাহ তা’আলা আনহু বলেন আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছ থেকে শুনেছি তিনি বলেছেন মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তির কাছে সূরা ইয়াসিন পাঠ করলে তার মৃত্যু যন্ত্রণা সহজ হয়ে যায়।

তাছাড়া অভাবের সময় সূরা আমলের কথাটা তো হাদীস দ্বারা প্রমাণিত এমনকি বর্ণিত আছে যে হযরত ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু কে যখন তার সন্তানদের জন্য একটি দিন আরো রেখে না যাওয়ার কারণে তিরস্কার করা হল তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন তাদের জন্য আমি সূরা ওয়াকিয়া রেখে গেলাম সুবহান আল্লাহ মহান রাব্বুল আলামের বরকত কত পাওয়ারফুল আপনি আমি তা অনুভব অনুধাবন করতে পারি কি তাই আসুন সকল সূরা ওয়াকিয়া পাঠের এই অতি মূল্যবান আদায় করার চেষ্টা করি আল্লাহ আমাদের প্রত্যেককে আমল করার তৌফিক দান করুন আমিন।

লেখায় কোন ভুল থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

About Us

Stay with us by subscribing to our website to be the first to receive all the trusted news from around the world. https://dineralo24.com/

© All rights reserved © 2019 Dineralo24
Theme Customized By Theme Park BD