>

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প

স্ত্রীঃ ওগো সুনছো! আজান দিছে, উঠো নামাজ পড়বে।

স্বামীঃ আরেকটু সময় গুমিয়ে নেই। স্ত্রীঃ আচ্ছা তুমি গুমাও! আমি তোমার ঘুম ভাঙানো টোটকা নিয়ে আসতেছি। স্ত্রী রান্নাঘর থেকে এক গ্লাস নিয়ে এসে দারায়। স্বামীঃ হালকা চোখ মেলে তাকিয়ে দেখে তার বিবির হাতে এক গ্লাস পানি! স্বামীঃ পানি দিয়ে কি করবে? স্ত্রীঃ তুমি উঠবা নাকী তোমার উপর এই টোটকা প্রয়োগ করতে হবে? স্বামীঃ হাহাহাহাহা। উঠতেছি আমার লক্ষী সোনা,তোমার এই টোটকা প্রয়োগ করা লাগবেনা।

স্ত্রীঃ মিসকি হাসি দিয়ে বললো,তুমি উঠে ফ্রেশ হয়ে আসো। স্বামীঃ ফ্রেশ হয়ে এসে,নামাজের জন্য মসজিদে রহনা করল।রাস্তায় হাটতেছিলো আর চিন্তা করতে লাগলো আমার কোন ভালো কাজের জন্য আল্লাহ তুমি আনায় ওর মতো ভালো একটা সহধর্মিণী দিছো।

আল্লাহ তোমার কাছে হাজারো শুকরিয়া তুমি আনায় এমন একটা সহধর্মিণী দিছো! স্ত্রীঃ আল্লাহ তোমার কাছে হাজারো শুকরিয়া তুমি এমন এক জিবন সঙ্গী দিছো আমায়!আল্লাহ আমি যেন সারাজীবন তার মনের মতো হয়ে চলতে পারি। (স্বামী স্ত্রীরীর সম্পর্ক তো এমনি হওয়া উচিত,দূজন দূজনকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকবে) স্ত্রীঃ নামাজ শেষ করে স্বামীর পছন্দ মতো নাস্তা তৈরি করলো।

স্বামীঃ মসজিদ থেকে এসে খাবার টেবিলের সামনে গিয়ে দেখে তার পছন্দ মতো সবরকোমের নাস্তা আর তার সব থেকে পছন্দের পায়েস! পাগলিটাকে অনেক দিন হয়েছে খেপাইনা আজকে একটু মজা করবো ওর সাথে। আচ্ছা শুনো! এদিকে আসোতো একবার। স্ত্রীঃ জ্বী বলো! তোমার পছন্দ মতো সব রকোমের আয়োজন বলো কেমন হয়েছে? স্বামীঃ তুমি এগুলো কি নাস্তা তৈরী করেছো? খেতে খুব বাজে হয়েছে! স্ত্রীঃ খুব বাজে হয়েছে? স্বামীঃ হ্যা। স্ত্রীঃ আচ্ছা এগুলো তোমার খাওয়ার দরকার নেই,তুমি একটু অপেক্ষা করো আমি তোমার জন্য আবার নাস্তা তৈরী করে নিয়ে আসতেছি। এই বলে যেই স্ত্রী চলে যাওয়া ধরলো! স্বামী তার হাতটা দরে পাশে বসালো।

স্বামীঃ খাবারটা খুব টেস্টি হয়েছে!আমার পাগলিটা এতো ভালো রান্না করতে পারে! তুমি একটু খেয়ে দেখো কতোটা টেস্টি হয়েছে। স্ত্রীঃ তারমানে!তুমি এতোক্ষণ মজা করতেছিলা আমার সাথে? স্বামীঃ হাহা হাহা স্ত্রীঃ তোমার সাতে আজ থেকে কোনো কথা নাই। স্বামীঃ আমার পাগলি আমার সাথে কথা না বলে থাকতে পারবে? আচ্ছা সামনে তো রোজা চলে আসছে তারপরতো ঈঁদ।

তোমার এবার ঈঁদে কী কী লাগবে বলো? স্ত্রীঃ আমার কোনো কিছুর দরকার নেই, তোমার থেকে একটা জিনিস চাই সেটা হলো তোমার ভালোবাসা।যেটা সবসময় আমাকে দিতে হবে, কিপ্টামি করা যাবেনা এক্ষেত্রে। স্বামীঃ পাগলি একটা আমার!

স্ত্রীঃ এবারের ঈদে মায়ের জন্য ভালো মানের একটা শাড়ি কিনবা,তাহলে মা অনেক খুশি হবে। স্বামীঃ আচ্ছা একদিন শপিং মল থেকে দুটো শাড়ি কিনলো একটি তার মায়ের জন্য আরেকটি তার স্ত্রীর জন্য। মায়ের শাড়িটা স্ত্রীর হাতে দিয়ে বললো, দেখোতো শাড়িটা কেমন হয়েছে? এটা মায়ের জন্য এনেছি। স্ত্রীঃ খুব সুন্দর হয়েছে! মাকে এই রংটায় খুব ভালো মানাবে। স্বামী আবার তার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলো, তোমার কিছু লাগবেনা? স্ত্রীঃ না।আমার নতুন কয়েকটা শাড়ি আছে ওখান থেকে একটা পড়বো তাতেই হবে। স্বামীঃ আচ্ছা বিছানার উপর আরো একটা বয়াগ আছে ওটা আনোতো। স্ত্রীঃ ব্যাগের ভিতর কি আছে? স্বামীঃ খুলে দেখো তোমার পছন্দ হয় কিনা।

স্ত্রীঃ ব্যাগ খোলার পর দেখে আরো একটি শাড়ি! জিজ্ঞেস করে এটা কার জন্য? স্বামীঃ এটা আমার পাগলি বউয়ের জন্য, তোমার পছন্দ হয়েছে? স্ত্রীঃ হ্যা।শাড়িটা কুব সুন্দর!!

উক্তি

“জীবনে কেবল মাত্র একটি সুখই রয়েছে আর তা হলো জীবন সঙ্গীকে ভালোবাসা এবং তার কাছ থেকে ভালোবাসা পাওয়া” (জর্জ স্যান্ড)

“লেখিকাঃ রুমানা আক্তার”

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!