1. admin@dineralo24.com : Dineralo24 : Md Hafizul Islam
  2. hmdkamal2001@gmail.com : Md Kamal Hossain : Md Kamal Hossain
  3. ahmedsiam409@gmail.com : Siam Hossain : Siam Hossain
জাতীয় মহাসমাবেশ কেমন হতে পারে - দিনের আলো ২৪
মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

জাতীয় মহাসমাবেশ কেমন হতে পারে

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২
  • ৩৬ বার পঠিত
জাতীয় মহাসমাবেশ কেমন হতে
জাতীয় মহাসমাবেশ কেমন হতে পারে

জাতীয় মহাসমাবেশ কেমন হতে পারে

এটা বানান করে বলার প্রয়োজন নেই যে,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মহাসমাবেশ এর কেমন হবে।তাদের সভা সমাবেশ মানে উপচে পড়া ভিড়।সভা সমাবেশ তো সারা বছরই হয়।কিন্তু ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর জাতীয় মহাসমাবেশ মানে নতুন ইতিহাসের সূচনা।২০১৮ সালে ৫ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় মহাসমাবেশ ছিল নিকট অতীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সবচেয়ে বড় গণজমায়েত।সেই জাতীয় মহাসমাবেশ নিয়ে, কেমন হবে জাতীয় মহাসমাবেশ শিরোনামে একটি বিশ্লেষণমূলক কলাম লিখেছিলাম। লেখাটি বেশ ভাইরাল হয়েছিল।আমি যে ধারণা করেছিলাম জনসমাগ এর চেয়ে বেশি হয়েছি। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল।প্রায় সাড়ে তিন বছর অতিক্রান্ত হয়েছে।এই সাড়ে তিন বছরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভোটার বেড়েছে।২০১৮ সালের ৫ অক্টোর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যে জনসমাগম হয়েছিল ২০২২ সালে এসে এরচেয়ে ডাবল জনসমাগম হবে ইনশাআল্লাহ।এবার একেবারে ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা কর্মীরাও সমাবেশে উপস্থিত হবে।গেল সাড়ে তিন বছরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তৃণমূলে একটি অবস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে।স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সর্বশেষ ধাপ ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রতীক হাতপাখা মার্কায় অংশ নিয়ে একেবারে তৃণমূলে নতুন করে দলের সদস্য,কর্মী তৈরি হয়েছে।

ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলা,মহানগর, থানা, ইউনিয়নের প্রস্তুতি অনেকটা আশা জাগানিয়া। ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ক্ষমতার বাইরে থেকেও তৃণমূলে প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে।বাংলাদেশে ৭০ টির মত ইসলামী দল রয়েছে।তাঁর মধ্যে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দল আছে ১০ টি।তাঁর মধ্যে রাজনীতির মাঠে সারা বছর সরব থাকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।ক্ষমতার মোহে জোট মহাজোটে না গিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একলা চলো নীতিতে যেভাবে এগিযে যাচ্ছে তা খোদ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও বিস্মিত।ক্ষমতার বাইরে থেকেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এগিয়ে যাওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ হচ্ছে,আমিরের সুদক্ষ নেতৃত্ব,আপসহীন মানসিকতা,অনুগত কর্মীবাহিনী এবং যুগোপযোগী, সৃজনশীল কর্মসূচি।কথায় এবং কাজে মিল থাকায় দলটি দিন দিন সকল শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে।বিশেষ করে অভিজাত শ্রেণি, সাবেক আমলাদেরও নজর কাড়ছে দলটির সময়োপযোগী কর্মসূচি এবং গঠনমূলক রাজনীতি। এলিট শ্রেণি এখন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ বিএনপি সমাবেশ করলে কোটি কোটি টাকা বাজেট করতে হয়।সমাবেশ সফল করার জন্য লোক ভাড়া করে আনতে হয়।কিন্তু ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জাতীয় মহাসমাবেশ করলেও বাজেট করতে হয়না।দলীয় নেতা কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের টাকায় জাতীয় মহাসমাবেশ সফল হয়ে যায়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর নেতা কর্মীরা নিজের টাকা খরচ করে দলের মিছিল মিটিং এ যায়।সেখানে গিয়ে নিজের টাকায় খেয়ে উল্টো দলের জন্যে টাকা দিয়ে আসে।নিজের হালাল উপার্জন থেকে অর্থ ব্যয় করে রাজনীতি করে বলেই দলের প্রতি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর নেতা কর্মীদের এত দরদ।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর নেতা কর্মীরা রাজনীতি করেনা।তারা ইবাদত করে।রাজনীতিকে ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করায় তাদের মধ্যে হার জিতেও কোন হতাশা নেই।নামাজ, রোজা যেমন ইবাদত হিসেবে করে,তেমনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর নেতা কর্মীরা রাজনীতিকে ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করেছে।প্রতিষ্ঠাতা আমির মাওলানা সৈয়দ ফজলুল করীম পীর সাহেব চরমোনাই রহ রাজনীতিকে ইবাদত হিসেবে ঘোষণা দিয়ে রাজনীতিতে একটি গুণগত পরিবর্তন এনেছে।মাওলানা সৈয়দ ফজলুল করীম রহ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন সফল সমাজ, সংস্কারক। যিনি পীর হয়ে করেছিলেন মানুষের আত্মশুদ্ধি, ঠিক তেমনি রাজনৈতিক নেতা হয়ে চালিয়েছে সমাজ ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়াস।সেই যামানার মুজাদ্দিদ মাওলানা সৈয়দ ফজলুল করীম এর চিন্তা দর্শন নিয়ে সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।দলটি প্রথমে কওমী ঘরানার হিসেবে পরিচিত হলেও ধীরে ধীরে দলটি সব শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক ও জনপ্রিয় উঠেছে।

২০১৮ সালে মিডিয়ার ভাষ্যমতে,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর জাতীয় মহাসমাবেশ আওয়ামী লীগ বিএনপিকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল।কারণ এর আগে আওয়ামী লীগ বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করেছিল।তাদের জনসমাগ থেকে কয়েকগুণ লোক বেশি হয়েছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জাতীয় মহাসমাবেশে। সাড়ে তিন বছরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সদস্য,কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী বেড়েছে।সে হিসেবে বলতে গেলে, ১৮ থেকে ১ এপ্রিল ২২ এর জাতীয় মহাসমাবেশে আরো কয়েকগুণ বেশি লোকসমাগম হবে।সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাড়িয়ে কাকরাইল, ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট,শাহাবাগ মোড থেকে মৎস ভবনসহ পুরো এলাকা জুড়ে লোকে লোকারণ্য হয়ে যাবে। জাতীয় মহাসমাবেশের ইস্যু গুলো যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো,দ্রব্যমূল্য ইস্যু।এছাড়াও মদের বিধিমালা বাতিল,শিক্ষা সিলেবাসে ইসলামী শিক্ষার সংকোচন বন্ধ,সর্বোপরি স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য- সাম্য,মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় এবং দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে ইসলামী হুকুমত কায়েম।এবার ১-৩১ মার্চ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর দাওয়াতি মাস ছিল।তাদের দাওয়াতি মাসের বয়ান ছিল ভাত ও ভোটের অধিকারের আহবান।ভাত ও ভোটের অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই।যারা দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত ও কল্যাণরাষ্ট্র চায় তাদের সকলের উচিত জাতীয় মহাসমাবেশে যোগ দেওয়া।হোক,তিনি ভিন্ন ধর্মাবলম্বী। পরিশেষে বলছি,১ এপ্রিল২২ বাংলাদেশের ইতিহাসে আরো একটি অধ্যায়ের সূচনা হবে যা ইসলাম দেশ ও মানবতার জয়গান হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে ইনশাআল্লাহ।তাই আসুন সেই ইতিহাসের সাক্ষী হতে,১ এপ্রিল ২২ ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে ন্যায় ও সাম্যের গান গাই।

লেখকঃনুর আহমেদ সিদ্দিকী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

About Us

Stay with us by subscribing to our website to be the first to receive all the trusted news from around the world. https://dineralo24.com/

© All rights reserved © 2019 Dineralo24
Theme Customized By Theme Park BD